আপনাকেই বলছি....

প্রয়োজনে অন্যের কাছ থেকে রক্ত অবশ্যই নিবেন কিন্ত মনে রাখবেন, আপনার প্রয়োজনে যিনি রক্ত নিয়েছেন তিনিও আপনার মত একজন মানূষ এবং আপনি কারো না কারোর কাছে এই মহান মানূষটি হতে আগ্রহী থাকুন। আমরা বিশ্বাস করি, নিজের প্রয়োজনে রক্ত নিব এবং অন্যের প্রয়োজনে রক্ত দিব শ্লোগানে

রক্ত কৃত্তিমভাবে তৈরী করা যায় না, শুধুমাত্র একজন মানুষই পারে আরেকজন মানুষকে বাঁচাতে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, প্রতিবছর হাজর হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে জরুরি মুহুর্তে প্রয়োজনীয় রক্তের অভাবে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বছর রক্তের প্রয়োজন মাত্র ৯ লাখ ব্যাগের মত অথচ এ দেশে রক্তদান সক্ষম জনতার সংখ্যা ৬ কোটিরও বেশি। তারপরেও জনবহুল এই দেশে এখনো মানুষ মারা যাচ্ছে রক্তের অভাবে। রক্তের এই চাহিদা খুব সহজেই পূরণ করা সম্ভব হবে যদি আমাদের দেশের সকল প্রান্তের পূর্ণবয়স্ক মানুষদের রক্তদানের প্রয়োজনীয়তা এবং সুফলতা বুঝিয়ে আত্ন সচেতন করা সম্ভব হয়। একজন মুমূর্ষু রোগীকে তার প্রিয়জনের মাঝে সুস্থভাবে ফিরিয়ে আনা থেকে আনন্দের আর কিছু হতে পারে না। জরুরি রক্তের প্রয়োজনে মুমূর্ষু রোগীদের পাশে থাকুন। যারা রক্তদানে ইচ্ছুক, তারা আমাদের ওয়েবসাইট এ রক্তদাতা হিসাবে রেজিস্ট্রেশন করুন। জরুরি রক্তের প্রয়োজনে রোগীরাই আপনাকে খুঁজে নিবে।।

স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে এখানে ক্লিক করুন!


রক্তদাতাদের কিছু সাবধানতা বা সচেতনতা

ফোন কলের মাধ্যমে রক্ত গ্রহিতাগণ এলে রক্তদানের পূর্বে রক্তদাতাদের কিছু কিছু সাবধানতা বা সচেতনতা জরুরীঃ

  • রোগী কোন হাসপাতাল/ক্লিনিকে আছেন জেনে নিন। হাসপাতাল/ক্লিনিক ছাড়া অন্য কোথাও রক্তদান করতে যাবেন না। রোগীর বাসায় হলেও না।

  • হাসপাতাল/ক্লিনিক ছাড়া অন্য কোথাও রক্ত আবেদনকারী (মোবাইল নম্বরে যে ব্যাক্তির সাথে আপনি যোগাযোগ করছেন) এর সাথে দেখা করবেন না। হাসপাতালের পাশের গলি, কিংবা কোনও দোকানে দেখা করতে বললে যাবেন না।

  • রক্তদানের পূর্বে রোগী দেখে নিবেন। রোগীর রিপোর্ট, ডাক্তারের রিকুইজিশন লেটার দেখে নিবেন।

  • রক্তদানের সময় দুই-একজন বন্ধু সাথে নিয়ে গেলে ভালো হয়।

  • রক্তদানে নতুন সূচ ব্যবহার করছে কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন...

  • উপস্থিত বিশেষজ্ঞের দক্ষতা নিয়ে সন্দেহ থাকলে কর্তৃপক্ষকে জানান...

  • রক্তের ক্রস ম্যাচিং করার পর রক্তদান করবেন, এর আগে নয়। বেশির ভাগ সরকারী হাসপাতালে ক্রস ম্যাচিং না করেই রক্ত রেখে দেয় । এটা কখনই উচিত নয় । ক্রস ম্যাচিং এর পরই রক্তদান করবেন।

নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে নিন। কোন রকম অসুবিধা হলে admitdoctors কর্তৃপক্ষ কোনভাবে দায়ী থাকবে না।)


রক্তগ্রহীতা / রোগীকে (বা রোগীর আত্মীয়কে) বলছি....

  • রক্তদানের পর রক্তদাতা যেন অন্ততপক্ষে আধা ঘণ্টা বিশ্রাম নিতে পারেন তার ব্যবস্থা রাখবেন।

  • রক্তদানের পর যদি সম্ভব হয় ফলমূল, জুস, পানি এর ব্যবস্থা রাখবেন রক্তদাতার জন্য। রক্তদাতার তাড়াতাড়ি Recovery জন্য এটা দরকারি।

  • সুস্থ হয়ে উঠার পরও রক্তদাতার সাথে যোগাযোগ রাখুন। যার রক্ত আপনার শরীরে প্রবাহিত হচ্ছে, যে নিঃস্বার্থভাবে আপনার জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এসেছে – তার সাথে সুসম্পর্ক রাখুন। রক্তদাতার কাছে বার বার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা – আমার কাছে ভুল কিছু মনে হয় না

  • মনে রাখবেন, রক্তদাতার যাতায়াতের খরচ আপনাকেই বহন করতে হবে!



Give blood to save life

রক্তের ঘাটতে মিটাতে প্রতি বছর বাংলাদেশে ছয় লাখ ব্যাগ রক্ত দরকার যার সরবরাহ কোন একক সংগঠন বা গোষ্ঠির পক্ষে অসম্ভব। রক্তের এই প্রয়োজন দিন থেকে দিন বেড়েই চলছে। রক্তের অভাবে মারা যাচ্ছে হাজারও মানূষ। তাই আসুন, স্বেচ্ছায় রক্তদান করি। নিজে সুস্থ্য থাকি আর অপরের জীবন বাচাঁতে সহায়তা করি। রক্তদানের ফলে আপনিও থাকবেন নিরাপদ। রক্তদানের উপকারীতা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের সাথে যোগদিন