রক্ত দানের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন

  • জ্বর / ভাইরাস জ্বর থেকে সুস্থ হওয়ার ৭ দিনের মধ্যে রক্ত দিবেন না।

  • ডেঙ্গু জ্বর থেকে সুস্থ হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে না।

  • ম্যালেরিয়া থেকে সুস্থ হওয়ার কমপক্ষে ১ বছর রক্ত দিবেন না।

  • টাইফয়েড থেকে সুস্থ হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে না।

  • ডায়েরিয়া থেকে সুস্থ হওয়ার ৩ সপ্তাহের মধ্যে না।

  • বসন্ত রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার কমপক্ষে ৬ মাসের মধ্যে না।

  • যক্ষা রোগ থেকে সুস্থ হওয়ার ২ বছরের মধ্যে না।

  • → → → → →



    ...............................

  • চর্ম রোগের ক্ষেত্রে - রক্তনালী আক্রান্ত হলে রক্ত দিতে পারবেন না

  • হাঁপানি রোগের ক্ষেত্রে - নিয়মিত ওষুধ খেলে বা ইনহেলার নিলে রক্ত দিতে পারবেন না। স্বাভাবিক অবস্থায় পারবেন।

  • রক্তস্বল্পতা থাকলে রক্ত দেয়া যাবে না।

  • র্মগী রোগ থাকলে দেয়া উচিৎ না

  • একজিম রোগের ক্ষেত্রে - রক্ত দেয়া যাবে না।

  • কান বা নাক ফুড়ানো থাকলে - আগে স্ক্রিনিং করে নিতে হবে।

রক্ত দানের যোগ্যতা

  • বয়ষ: ১৮-৫৭ (বাংলাদেশ বা তৎসংশ্লিষ্ট ভৌগলিক এলাকার বৈশিষ্ট্য এবং শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল)

  • ওজন: পুরুষ -৪৭, নারী-৪৫ কেজি, তবে বিশেষ ইপাদানের ক্ষেত্রে ওজন নূ্ন্যতম ৫৫ কেজি।

  • কোন এ্যান্টিবায়োটিক না নিলে

  • রক্তচাপ (১৫০/১০০ - ১০০/৫০)

  • ১২০ দিনের মধ্যে রক্ত দিয়ে না থাকলে

  • মোট কথা শারীরিক ও মানষিকভাবে স্বাভাবিক থাকলেই রক্ত দেয়া যাবে।


রক্তদানের উপকারীতা

  • মানসিক তৃপ্তি - আপনার এক ব্যাগ রক্ত একটি নতুন জীবনদান করল।

  • বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট -

      যেসব রোগ থেকে মুক্তি পাবেন -
    • এইচ আই ভি
    • ম্যালেরিয়া
    • হেপাটাইটিস্ - বি
    • হেপাটাইটিস্ - সি
    • সিফিলিস ইত্যাদি

রক্তের বিভিন্ন উপাদান

  • প্লাপমা (৫৫%)( পানি: ৯০%-৯২%, দ্রবীভূত কঠিক পদার্থ ৮-১০%)

  • লোহিত কনিকা (Red Blood Cell)

  • শ্বেত কনিকা( White Blood Cell)

  • অণুচক্রিকা (Platelet)

যেসব ঔষধ সেবন কালে রক্ত দেয়া যাবে না

  • এ্যান্টিবায়োটিক - শেষ বার সেবনের কমপক্ষে এক সপ্তাহের মধ্যে রক্ত দেয়া যাবে না

  • অপারেশন - যে কোন ধরনের অপারেশন হওয়ার ১ বছরের ম্ধ্যে রক্ত দেয়া যাবে না।

  • রক্ত গ্রহন করলে - রক্ত গ্রহীতা রক্ত গ্রহনের কমপক্ষে ১ বছরের মধ্যে রক্ত দিতে পারবে না।

  • দাঁতের চিকিৎসা - ফিলিং - ১দিন, রুট ক্যানেল ৩দিনের মধ্যে রক্ত দেয়া যাবে না

যেসব রোগ থাকলে কখনোই রক্ত দেওয়া যাবে না

  • এইচ আই ভি

  • সিরিন্জের মাধ্যমে মাদক গ্রহনকারী

  • ক্যান্সার

  • হৃদরোগ

  • বাতজ্বর

  • সিফিলিস (যৌন রোগ)

  • কষ্ঠ বা শ্বেতী এবং

  • যে কোন প্রকার রক্তবাহিত রোগ

মহিলা/নারীদের ক্ষেত্রে -

  • অন্তঃসত্ত্বা - অন্তঃসত্ত্বা -অবস্থায় অবশ্যই রক্ত দেয়া যাবে না

  • সন্তান জন্মদানের পর রক্ত দেয়া যাবে তবে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো অবস্থায় রক্ত দেয়া যাবে না।

  • মাসিক চলাকালীন সময় - বাংলাদেশের মত দেশগুলোর প্রেক্ষাপটে না দেয়া ভাল

  • জন্ম নিয়ন্ত্রন পিল খাওয়া অবস্থায় রক্ত দিতে পারবে না।

অভ্যাসগত সমস্যা

  • রক্তদানের পূর্বে ধূমপান করা উচিৎ না।

  • রক্তদানের কমপক্ষে ১ ঘন্টার মধ্যে ধূমপান করা যাবে না

  • অ্যালকোহল পানের ৭২ ঘন্টার ম্ধ্যে রক্ত দেয়া উচিৎ না।

  • অতি প্রয়োজন ছাড়া কোন প্রকার মাদকাসক্ত ব্যাক্তির রক্ত নেয়া উচিৎ না।

হেপাটাইটিস্ / টিকা গ্রহন

  • হেপাটাইটিস্ এ, ই - সুস্থ হওয়ার ৬ মাস পর থেকে রক্ত দিতে পারবে

  • হেপাটাইটিস্ বি, সি - কখনোই রক্তদান করতে পারবে না।

  • ইনফ্লুয়েঞ্জা , টিটেনাস, জ্বর ও কোন উপসর্গ না থাকলে রক্ত দেয়া যাবে।

  • বসন্ত, পোলিও, হেপাটাইটিস্ মেনিনজাইটিসের ক্ষেত্রে - ৪ সপ্তাহ পর রক্ত দেয়া যাবে।

*** মনে রাখতে হবে ***

  • রক্তদাতা যেন কোন ভাবেই খালি পেটে রক্তদান না করেন।

  • রক্তদানের পূর্বে এবং পরে পানি পান করতে হবে।

  • রক্তদানের পর কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ মিনিট বিশ্রাম নিতে হবে।

  • রক্তদানের ১ ঘন্টার মধ্যে কোন প্রকার ভারি খাদ্য গ্রহন করা যাবে না।

*** রক্তদিন - সুস্থ থাকুন***

  • ১২০দিন বা ৪ মাস পর পর রক্তদান হার্ট এ্যাটাক রোধ করে।

  • রক্তদান আপনার মনকে তৃপ্ত রাখে

  • সুস্থ থাকলে রক্ত দিতে কার্পন্য বোধ করবেন না।

  • নিজে রক্তদিন --- অন্যকে রক্তদানে উৎসাহিত করুন


Give blood to save life

রক্তের ঘাটতে মিটাতে প্রতি বছর বাংলাদেশে ছয় লাখ ব্যাগ রক্ত দরকার যার সরবরাহ কোন একক সংগঠন বা গোষ্ঠির পক্ষে অসম্ভব। রক্তের এই প্রয়োজন দিন থেকে দিন বেড়েই চলছে। রক্তের অভাবে মারা যাচ্ছে হাজারও মানূষ। তাই আসুন, স্বেচ্ছায় রক্তদান করি। নিজে সুস্থ্য থাকি আর অপরের জীবন বাচাঁতে সহায়তা করি। রক্তদানের ফলে আপনিও থাকবেন নিরাপদ। রক্তদানের উপকারীতা সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের সাথে যোগদিন